বেশিরভাগ উপহার সাথে সাথে তৈরি হয়ে যায়। হাতে বানানোগুলো আসে এক-দুই দিনে।
ঝগড়ার পর এই লিংকটা পাঠাও। "না" বাটনটা ধরাই যায় না।
স্ট্যাম্প পেপারে ভালোবাসার চুক্তি। তুমি সই করো, ও সই করে, দুজনেই রেখে দাও।
জন্মদিনের লিংক, যেটা খুলবে ঠিক রাত বারোটায়।
"এক প্লেট ফুচকা", "ঝগড়ায় আমিই আগে সরি বলবো"। ছিঁড়ে ভাঙানোর কুপন।
তোমাদের স্মৃতিগুলো, তারপর সেই প্রশ্ন।
ছোট ছোট চিরকুটে ভরা একটা বয়াম। ঝাঁকালেই একটা কারণ বেরিয়ে আসে।
"যখন মন খারাপ", "যখন ঘুম আসে না"… দশটা পর্যন্ত চিঠি।
বড় খবর লুকানো থাকে সোনালি পর্দার নিচে।
নিজেকে নিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন। দেখো ও তোমাকে আসলে কতটা চেনে। ফ্রি।
"জাতীয় ঘুম চ্যাম্পিয়ন"। ফ্রি, আর সেভ করে পোস্ট করা যায়।
টিয়া পাখি খাম তুলে ভাগ্য বলে দেয়। ভাগ্যটা অবশ্য তুমিই লিখবে। ফ্রি।
ফিতা টানো, ঢাকনা খোলো, ভেতরে তোমার কথা। ফ্রি।
মেঘ সরে গেলে তারাগুলো জুড়ে ওর মুখ হয়ে যায়।
রাত বারোটা, পাঁচটা মোমবাতি, একটা উইশ।
যেসব জায়গায় ওকে নিয়ে যেতে চাও, সেগুলো আগে এঁকে রাখলাম।
ওর ছবিতে মার্কারে আঁকা, ওর সবচেয়ে প্রিয় জিনিসগুলো।